Close Menu
Bangladesh Finance TribuneBangladesh Finance Tribune
    সর্বশেষ

    ছুটি বে’র পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হলেন শিল্পপতি সালাউদ্দিন চৌধুরী

    23/09/2026

    রাজউকের প্ল্যান ২৪ দিনের মধ্যে অনুমোদনের উদ্যোগ

    23/09/2026

    নান্দনিক আগামীর পথে ছুটি নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট পর্যটনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

    22/09/2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Saturday, November 7
    Facebook LinkedIn YouTube
    Bangladesh Finance TribuneBangladesh Finance Tribune
    • বাংলাদেশের অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
    • জাতীয়
    • শেয়ারবাজার
    • ব্যাংকিং
    • বীমা
    • প্রযুক্তি
    • সাক্ষাৎকার
    • উদ্যোক্তা
    • কর্মসংস্থান
    • বিনিয়োগ
    • লাইফস্টাইল
    • অন্যান্য
    Bangladesh Finance TribuneBangladesh Finance Tribune
    Home » যেসব পণ্য রপ্তানি করলে ১৫-২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়
    Uncategorized

    যেসব পণ্য রপ্তানি করলে ১৫-২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়

    নিউজডেক্সBy নিউজডেক্স22/06/2024No Comments3 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করতে গেলে ব্যবসায়ীদের শুল্ক দিতে হয়, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানি করতে গেলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে শুল্ক দিতে হয়। এই শুল্কহার ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ। তা–ও সরকার যখন রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ চায়, তখন রপ্তানিতেও শুল্ক আদায় করছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকার নিজেই চায় না এসব পণ্য খুব বেশি রপ্তানি হোক।

    যেসব পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে শুল্ক আদায় করা হয়, সেগুলো হচ্ছে ধান-চালের তুষ (ব্র্যান), তুলা বর্জ্য, ইট ও ইটের সামগ্রী (বিল্ডিং ব্রিকস), বিভিন্ন ধরনের সিসা ইত্যাদি। পণ্যগুলো ভারত, মিয়ানমার, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াতে রপ্তানি হয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে এসব পণ্য রপ্তানির বিপরীতে শুল্ক আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছিল ৬৬ কোটি টাকা। সংশোধিত বাজেটে তা কিছুটা কমিয়ে ৬২ কোটি টাকা করা হয়। অর্থবছর শেষে প্রকৃত হিসাব পাওয়া যাবে। আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে এই শুল্ক আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭০ কোটি টাকা।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের তথ্য বলছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে ২০২২-২৩ পর্যন্ত আট অর্থবছরে রপ্তানি শুল্ক বাবদ সরকার মোট আয় করেছে ২৫৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০১৮-১৯ অর্থবছরেই আয় হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া রপ্তানি শুল্ক বাবদ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩০ কোটি, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২২ কোটি ও ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩১ কোটি টাকা আয় হয়েছে।

    তবে ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি শুল্ক থেকে সরকারের আয় হয়েছে সবচেয়ে কম, যা পরিমাণে মাত্র এক কোটি টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরেও কম আয় হয়েছে, পরিমাণ তিন কোটি টাকা। এ ছাড়া ২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এ খাত থেকে কোনো আয়ই হয়নি। তবে ২০১১-১২ অর্থবছরে আয় হয়েছিল ৬৭ কোটি টাকা।

    ইপিবি সূত্রে জানা গেছে, সিঙ্গাপুরে বিল্ডিং ব্রিকস (ইট ও ইটের সামগ্রী) রপ্তানি করে বাংলাদেশ বছরে গড়ে এক কোটি মার্কিন ডলারের মতো আয় করে। আর ভারত ও মিয়ানমারে তুলা বর্জ্য রপ্তানির মাধ্যমে আয় হয় ২০ হাজার ডলারের মতো। এ ছাড়া সিসা রপ্তানি হয় মালয়েশিয়ায়, আর ধান-চালের খোসা বা তুষ (ব্র্যান) রপ্তানি হয় প্রধানত ভারতে।

    এ নিয়ে মজুমদার প্রোডাক্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চিত্ত মজুমদার বলেন, ধানের খোসা (তুষ) দিয়ে জ্বালানি হয়। এটার রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে শুল্ক আরোপ করা আছে। অবশ্য এর পেছনে কারণও আছে। ব্যাপক হারে এ খোসা রপ্তানি শুরু হলে দেশে এটির দাম অনেক বেড়ে যাবে।

    এনবিআরের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশেই এসব কাঁচামালে মূল্য সংযোজনের সুযোগ রয়েছে। সে জন্য রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। রপ্তানিকারকেরা এ নিয়ে নাম প্রকাশ করে কিছু বলতে রাজি হননি। তেমনই একজন বলেন, কোনো মন্তব্য করলে শুল্ক আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এনবিআর।

    এসব পণ্য রপ্তানিতে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় শুল্ক আদায় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যেমন ২০২২-২৩ অর্থবছরে তিন কোটি টাকা শুল্ক আদায় হয়েছে, অথচ ওই অর্থবছরে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৩ কোটি টাকা। সূত্রগুলো জানায়, বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত এনবিআর ও অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা কোনো রকম যোগ-বিয়োগ করে হিসাব মেলানোর জন্য কাজটি করে থাকেন। বাস্তবতার সঙ্গে তাই কোনো মিল থাকে না।

    বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে ব্যতিক্রমী কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে সরকার এটা করতে পারে। তবে এক অর্থবছরে এক কোটি, আরেক অর্থবছরে তিন কোটি টাকা যদি আদায় হয়, তা থেকেই বোঝা যাচ্ছে বিষয়টা অত গুরুতর নয়। 

    এক অর্থবছরে ১১৫ কোটি টাকাও আদায় হয়েছে, এ তথ্য জানালে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তাহলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। তবে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আদায়ের বিরাট ফারাকটাও চিন্তার বিষয়।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    নিউজডেক্স
    • Website

    Related Posts

    রিহ্যাব-এর নবনির্বাচিত সভাপতি ড. মো. আলী আফজালকে আরইপি ফোরাম ও তাবাসসুম ইমামের আন্তরিক অভিনন্দন

    04/09/2026

    দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেটে যুদ্ধের চাপ, বাংলাদেশের সামনে কি নতুন সুযোগ?

    03/09/2026

    বাংলাদেশে কার্যক্রম বিক্রিতে সম্মতি ব্যাংক আলফালাহর, অধিগ্রহণে এগোচ্ছে ব্যাংক এশিয়া

    30/03/2026

    ট্রেজারি বন্ডের বিপরীতে ঋণ সুবিধা: বিনিয়োগকারীরা পাবেন সর্বোচ্চ ৭৫% পর্যন্ত ঋণ

    12/03/2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    সর্বশেষ

    ছুটি বে’র পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হলেন শিল্পপতি সালাউদ্দিন চৌধুরী

    23/09/2026

    রাজউকের প্ল্যান ২৪ দিনের মধ্যে অনুমোদনের উদ্যোগ

    23/09/2026

    নান্দনিক আগামীর পথে ছুটি নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট পর্যটনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

    22/09/2026

    কাঞ্চন ব্রিজের কাছে রিমঝিম গ্রুপের আবাসন প্রকল্প, পরিকল্পিত নগরায়নে নতুন সম্ভাবনা

    22/09/2026

    E-Club Women’s Forum-এর সৌহার্দ্যপূর্ণ চা বৈঠক অনুষ্ঠিত

    21/09/2026

    বাংলাদেশের রিয়েল এস্টেট খাত: বর্তমান সংকট, সম্ভাবনা ও টেকসই ভবিষ্যতের রূপরেখা

    21/09/2026

    বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ট্রিবিউন

    ভারপ্রাপ্ত  সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ আব্দুর রহমান নিপু 

    যোগাযোগ :

    +880 1826-689555

    ই-মেইলঃ- hello.newsbangladesh@gmail.com

    ঠিকানা : বাড়ি – ৫০ , লেভেল -৫ , পান্থপথ , ঢাকা ১২০৫ বাংলাদেশ 

    সর্বশেষ

    উদ্যোক্তা

    ছুটি বে’র পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হলেন শিল্পপতি সালাউদ্দিন চৌধুরী

    By নিউজডেক্স23/09/2026
    আন্তর্জাতিক বাণিজ্য

    রাজউকের প্ল্যান ২৪ দিনের মধ্যে অনুমোদনের উদ্যোগ

    By নিউজডেক্স23/09/2026
    উদ্যোক্তা

    নান্দনিক আগামীর পথে ছুটি নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্ট পর্যটনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

    By নিউজডেক্স22/09/2026
    Facebook Linkedin Youtube

    আমাদের সম্পর্কে

    Publisher: Md Abdur Rahman Nipu © 2026 Copyright Bangladesh Finance Tribune All Rights Reserved. ❤ Developed by Nexkraft.